About Me

My photo
Hi, this is Arif and welcome to my blog. I am an animator (2D), illustrator, and animation generalist.

Tuesday, April 30, 2019

MP VS DOCTORS


চিকিৎসকের কর্মস্থলে অনুপস্থিতি থাকা গুরুতর অপরাধ । কিন্তু রোগী বা নাগরিকদের প্রয়োজনে বরাদ্দকৃত সময়ের অতিরিক্ত সময় ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে চিকিৎসা দেওয়া অপরাধ না প্রশংসিত – নড়াইল ২ আসনের সংসদ সদস্য ১মটির বিষয়ে তীব্র বিষদগার করলেও ২য় টির বিষয়ে একেবারেই নীরব, কোন কথাই বলে নি।
নড়াইল সদর হাসপাতাল ১০০ শয্যা বিশিষ্ট , চিকিৎসকের পদ সৃষ্ট আছে ৩৯ টি। সংসদ সদস্য যখন হাসপাতাল পরিদর্শনে যান , সে মুহূর্ত পর্যন্ত কর্মরত চিকিৎসকের সংখ্যা ১৪জন । তার মধ্যে একজন মাত্র শল্য চিকিৎসক ডা আকরাম হোসেন । প্রতিদিন গড়ে রোগী ভর্তি থাকে ১৮০ থেকে ২০০জন। এ সকল রোগীদের চিকিৎসার দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে একজন শল্য চিকিৎসক সহ ১৪ জন নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। দুই তৃতীয়াংশ চিকিৎসকের দায় ভার এক তৃতীয়াংশ চিকিৎসকের কাঁধে । সংসদ সদস্য চিকিৎসকদের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের প্রশংসা তো করেন নাই , উপরন্তু হাসপাতালের রোগীর স্বজন ও তার সাথে যাওয়া মানুষের সামনে একহাত নিলেন অনুপস্থিত চিকিৎসককে। একজন শৈল্য চিকিৎসক অতিরিক্ত আরও দুইজন শৈল্য চিকিৎসকের দায়িত্ব পালনের পরেও পুরষ্কার না পেয়ে তিরস্কার পেল ।
নড়াইল সদর হাসপাতালের স্বাস্থ্য সেবা কমিটির সভাপতি নড়াইল ২এর সংসদ সদস্য মাশরাফী বিন মুর্তুজা। মাসে একটি করে সভা করার নিয়ম আছে । গত ৪ মাসে (জানুয়ারি- এপ্রিল) সভা করেছেন মাত্র ১টি। অপর ৩টি সভায় স্বয়ং সংসদ সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন – সে কথাটি জনসমক্ষে নিজেকে তিরস্কার করে দুঃখ প্রকাশ করে নি । নড়াইল সদর হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার সকল ত্রুটি বিচ্যুতি , অনিয়ম অব্যবস্থার দায় মাশরাফী বিন মুর্তুজার উপর। সকল ব্যর্থতা তারই। যে ডালের শীর্ষে বসে আছেন , সেই ডালেরই গোড়া কাটছেন। বৃহস্পতিবার অপরাহ্ণে নিজ দায়িত্বে পরিচালিত হাসপাতালে গিয়ে চিৎকার করলে , আঙ্গুল যে তার দিকেই নির্দেশ করবে – সেটা বোঝার ক্ষমতা মনে হয় নড়াইল ২ আসনের সংসদ সদস্যের নাই ।
ডিউজ বলে ক্রিকেটের মাঠ কাঁপানো যত সহজ , প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে রোগীর জীবন বাঁচানো তত সহজ নয়।
যাদের দোষে নড়াইলের হাসপাতালের আন্তঃবিভাগ থেকে বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগ পর্যন্ত রোগীরা চিকিৎসা ও সেবা পায় না , চিকিৎসক নাই , জনবল নাই –এর জন্য যে বা যারা দায়ী সেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও তার মন্ত্রণালয় - তাদের উদ্দেশে কোন বিষদগার করেন নি। উপরন্তু কঠোর ব্যবস্থা নিতে বলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ডা আকরামের অনুপস্থিতির কারণে । কি ধরণের ন্যায় বিচার একজন সংসদ সদস্যের ? সার্জনের অনুপস্থিতির জন্য দোষারোপ করা হয় অথচ সার্জনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি অজ্ঞানকারী চিকিৎসক এর পদ শূন্য । নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলা থেকে একজনকে প্রেষণে দায়িত্ব পালন করানো হয়। সংসদ সদস্য জানেন না একজন অজ্ঞানকারী চিকিৎসককে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করানো অমানবিক অপরাধ। যারা এর জন্য দায়ী – সংসদ সদস্য তাদের কিছুই বলেন নি। নাগরিকদের বিভ্রান্ত করার জন্য নড়াইল হাসপাতালে চিকিৎসার প্রয়োজনীয় অনেক কিছু (চিকিৎসক, নার্স, অপরাপর জনবল, রোগ নির্ণয়ের আধুনিক যন্ত্রপাতি, পরিচ্ছন কর্মী , পানীয় জল সরবরাহ, স্বাস্থ্যসম্মত পয়ঃনিষ্কাশন, জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে শয্যাসংখ্যা) উপেক্ষা করে কেবল একজন শৈল্য চিকিৎসকের অনুপস্থিতিকে কেন্দ্র করে নিজ ব্যর্থতাকে আড়াল করার জন্য কয়েকঘন্টা ঝটিকা সফরের নামে অহেতুক ক্ষোভ প্রকাশ করলেন।
সংসদে দাঁড়িয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে খ্যাতিমান এ ক্রিকেটার ও নড়াইল ২ আসনের সংসদ সদস্য কিছুটা বলতে পারলে তার এলাকাবাসীর উপকারে আসত । সংসদে ক্ষোভ না করে হাসপাতালে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফল কি হবে ? ১১ বছর ধরে হাসপাতালে ‘পরিচ্ছন্ন কর্মী’র নিয়োগ বন্ধ রেখে শৌচাগারের ভাঙ্গা দরজা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কথা জনগণকে শুনিয়ে ক্ষমতার বাহাদুরি হতে পারে , ভুক্তভোগী রোগীদের কোন উপকারে আসবে না ।
নড়াইল ২ আসনের সংসদ সদস্যের প্রতি অনুরোধ – সংসদে কথা বলুন , কার্যকর আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ভূমিকা রাখুন। তাহলে আর নিজ হাসপাতালের ব্যর্থতার ঢোল নিজে বাজিয়ে লজ্জাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে না
- ডা. বাহারুল আলম
Cartoon requested by FDSR family

1971 War and Cartoon


আমার মায়ের কাছ থেকে শোনা, আমরা চাঁদপুর এলাকার ভিতরে হওয়ায় প্রথম দিকে পাক বাহিনী তেমন আসতে পারেনি, কিন্তু একদিন তারা ঠিকই হাজির। রাজাকার বাহিনীও তৈরি হয়ে গেল। একে মারে, ওকে মারে, মার মার কাট কাট। খোদাই বিলে নিয়ে যায় বাঙ্গালীদের, গাছে বাঁধে, আর গুলি আর বেয়নেট দিয়ে মারে। খুবি ভয়ানক সময়, আব্বা তখনও ব্যবসার কাজে বাইরে, ব্যবসার অবস্থা খুবই খারাপ, প্রসঙ্গত কারনেই। লুকায় লুকায় আসতে হয়, একবার নাকি মরতে মরতেও বেঁচে গিয়েছে। বড় জ্যাঠা চলে গেছে সমর প্রশিক্ষনে।
হঠাৎ একদিন রাতে ঘরের দরজায় টোকা, ফুপু ভয়ে ভয়ে দরজার কাছে জেতেই শুনে চিৎকার না করার আবেদন, "আমরা মুক্তি বাহিনী, কিছু খেতে দেন।" এইভাবেই শুরু। আম্মা ছিল গর্ভবতী, তারপরেও রান্না করত, ডাল, ভাত, ডাল ভাত, মাঝে মাঝে আলু... একদল খাওয়া শেষ করে বাইরে গেলেই আরেকদল আসত। প্রতিদিন আসত না, কিন্তু যখন আসত তখন এইভাবেই আসত, খেয়েই যে যেইভাবে পারত ঘুমায় পড়ত, আমার ফুপুও মাঝে মাঝে পাহারা দিত। এইভাবেই সময় বদলাল- মুক্তিবাহিনীরা এখন খোদাইবিলে নিতে লাগলো রাজাকারদের, কিন্তু রাজাকারদের নিত চোখ বেঁধে, সেই একি গাছে বেঁধে ঠুস। আম্মা নাকি দেখেছিল এই execution. আমার জ্যাঠা আম্মাকে দেখে ধমক দিয়ে বলেছিল ঘরের ভিতরে যেতে, নইলে পরে ভয় পাবে।
আম্মার এই কাহিনী নিয়েই এই ছবিটি আঁকা। সে এখন শক্ত মহিলা, চোর পিটায় তক্তা দিয়ে। খারাপ মানুষ হুশিয়ার।












Sunday, April 21, 2019

#prayforsrilanka #srilankablasts



More than 200 people were killed and at least 450 others were injured in eight coordinated attacks on churches and hotels in Sri Lanka on Easter Sunday. The death toll continues to rise, with at least 207 people dead, according to police.
Christians are a minority in Sri Lanka, with the majority of Christians in the country being Roman Catholic. As Easter is one of Christianity’s holiest days, many of Sri Lanka’s Christian population were worshipping at church when the attacks took place.

ঝড়ের একাল সেকাল


Boys Club- Book Cover Illustration


Secret of the Quill- Book Cover Illustration


Brexit for North Dorset